ঢাকা: দুই শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে মার্কিন সাংবিধানিক ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখা বিভিন্ন নীতি ও গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের ওপর আলোকপাত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস’ পালন করেছে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাস।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সালাম, সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। অনুষ্ঠানে ক্রিস্টেনসেন বলেন, অব্যাহত বিতর্ক এবং ঐকমত্যে পৌঁছানোর নিরন্তর প্রচেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের দৃঢ়তা ও স্থায়িত্ব বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
মার্কিন মিশনের মুখপাত্র পূর্ণিমা রাইয়ের দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, রাষ্ট্রদূত সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য—ক্ষমতার পৃথকীকরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের সুযোগের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
ক্রিস্টেনসেন বলেন, এসব সাংবিধানিক নীতি দুই শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে মার্কিন সংবিধানকে টিকিয়ে রাখতে এবং বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অনুপ্রাণিত করতে সহায়তা করেছে। অনুষ্ঠানমালায় ছিল উন্মুক্ত সভা, প্যানেল আলোচনা, রচনা প্রতিযোগিতা, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং ‘আমেরিকান ফাউন্ডার্স মিউজিয়াম’ শীর্ষক প্রদর্শনী। যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশটি বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। এরই অংশ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।